1. admin@sylheterkotha.com : admin :
  2. editor@sylheterkotha.com : editor :
September 24, 2026, 6:20 am
Title :
ভাইরাল’ হওয়া সেই বিউটি পাল এবার সিলেট জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের মিছিল ও সমাবেশ শ্রীমঙ্গলে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেলো অটোরিকশার তিন যাত্রীর নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের ঠাঁই বাংলাদেশে আর হবে না-মন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির সব অপচেষ্টা রাজপথেই রুখে দেওয়া হবে-সিলেটে নাসিম হোসাইন দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে সিলেটে যুবদলের প্রতিবাদ সমাবেশ সিলেট মিলেনিয়াম শপিং কমপ্লেক্স নির্বাচনে ‘সম্মিলিত ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ’-এর পরিচিতি সভা ও নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ সরকারি কিন্ডারগার্টেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন-করেছে: মন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির মাদক-চোরাচালানবিরোধী অভিযানে ৬০ লাখ টাকার মাদকসহ বিপুল ভারতীয় পণ্য জব্দ সিলেটে বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

সিলেট মহানগর জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ

  • Update Time : Tuesday, October 28, 2025
  • 220 Time View

Manual7 Ad Code

সিলেটের কথা ::: জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেছেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর শেখ হাসিনার নির্দেশে লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে মানুষ হত্যা করে লাশের উপর নৃত্য করা হয়েছিল। সেদিন থেকে দেশে ফ্যাসিবাদের মহড়া শুরু হয়, পথ হারায় বাংলাদেশ। এরপর দীর্ঘ সংগ্রামের পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশ আবার পথের দিশা ফিরে পায়। আওয়ামী হায়েনার দল সেদিন শুধু পল্টন নয়, সিলেটের রাজনৈতিক ইতিহাসকে কলংকিত করেছিল। তারা তৎকালিন সিলেট মহানগর ছাত্রশিবির সভাপতি নুরুল ইসলাম বাবুলকে শহীদ করতে নৃশংস হামলা চালিয়েছিল। আল্লাহর অশেষ রহমতে তিনি আমাদের মাঝে আজো বেঁচে আছেন আলহামদুল্লিাহ।

তিনি বলেন, ২৮ অক্টোবরের নৃশংস হত্যাকান্ডের পর তারা ১/১১ এর ফখর-মঈন সরকারের সাথে আতাত করে ক্ষমতায় গিয়ে পিলখানা হত্যাকান্ড দিয়ে গণহত্যা শুরু করে। তারা ধারাবাহিকভাবে আামাদের শীর্ষ জাতীয় নেতৃবৃন্দকে বিচারের নামে হত্যা করে। তারা আল্লামা সাঈদী (র.) রায় পরবর্তী সময়ে দেশে গণহত্যা চালায়। এরপর তারা শাপলা চত্তরের গণহত্যা এবং সর্বশেষ ২৪ এর জুলাই-আগস্টের গণহত্যা চালায়। হাজারো ছাত্র-জনতার জীবনের বিনিময়ে চব্বিশের ৫ আগস্ট দীর্ঘ ১৭ বছর পর ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন নিশ্চিত হয়। ফ্যাসিবাদের দোসরদের কোনভাবে ছাড় দেয়া যাবেনা। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলাকারীদেরকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে। ২৮ অক্টোবর লগি-বৈঠার হত্যাকান্ড থেকে শুরু করে বিগত সকল হত্যকান্ডের বিচার নিশ্চিত করতে সবাইকে স্বোচ্ছার হতে হবে।

Manual1 Ad Code

তিনি মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে নগরীর কোর্ট পয়েন্টে জামায়াত কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সিলেট মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে লগি-বৈঠার তান্ডবে শহীদ ও আহতদের স্মরণে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। সমাবেশ শেষে নগরীতে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চৌহাট্টা পয়েন্টে গিয়ে সমাপ্ত হয়। মিছিল সমাবেশে সিলেট মহাগরীর সকল শাখার বিপুল সংখ্যক জনশক্তির পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেন।

মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী জাহেদুর রহমান চৌধুরীর পরিচালনায় বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য, সিলেট জেলা আমীর ও সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনের জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান।

Manual1 Ad Code

সমাবেশে অনুভুতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন- ২০০৬ সালে সিলেট নগরীর বন্দরবাজার কোর্ট পয়েন্ট এলাকায় আওয়ামী সন্ত্রাসীদের লগি-বৈঠার তান্ডবে গুরুতর আহত তৎকালিন সিলেট মহানগর ছাত্রশিবির সভাপতি ও বর্তমান সিলেট মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. নুরুল ইসলাম বাবুল।

তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, সেদিনের তান্ডব আমি ভুলে যেতে চাই। বিষয়টি কারো সাথে শেয়ার করতে পারিনা। তারা সেদিন আমাকে হত্যা করতে চেয়েছিল। আল্লাহর মেহেরবানীতে বেঁেচ আছি।

Manual5 Ad Code

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহানগর সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা ইসলাম উদ্দিন, বায়তুল মাল সেক্রেটারী মুফতী আলী হায়দার, সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ) আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ইয়াসীন খান, মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি এডভোকেট জামিল আহমদ রাজু ও সিলেট মহানগর ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারী শহীদুল ইসলাম সাজু।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য, সিলেট জেলা আমীর ও সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনের জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন- ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের নৃশংসতা ভুলে থাকা যায়না, ভুলার নয়। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, সেদিন আমাদের জোট সরকার ক্ষমতায় ছিল। কিন্তু রহস্যজনক কারণে পুলিশ সেদিন কোন সহযোগিতা করেনি। এই রহস্য আজো অজানা রয়ে গেছে। এই দেশে আর কোন নৃশংসতা ও গণহত্যা জাতি দেখতে চায়না। শেখ হাসিনার নির্দেশে দেশে সংঘতি সকল গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করে জাতিকে কলংকমুক্ত করতে হবে।

Manual7 Ad Code

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 Sylheter Kotha
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!