1. admin@sylheterkotha.com : admin :
  2. editor@sylheterkotha.com : editor :
September 24, 2026, 5:41 am
Title :
ভাইরাল’ হওয়া সেই বিউটি পাল এবার সিলেট জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের মিছিল ও সমাবেশ শ্রীমঙ্গলে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেলো অটোরিকশার তিন যাত্রীর নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের ঠাঁই বাংলাদেশে আর হবে না-মন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির সব অপচেষ্টা রাজপথেই রুখে দেওয়া হবে-সিলেটে নাসিম হোসাইন দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে সিলেটে যুবদলের প্রতিবাদ সমাবেশ সিলেট মিলেনিয়াম শপিং কমপ্লেক্স নির্বাচনে ‘সম্মিলিত ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ’-এর পরিচিতি সভা ও নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ সরকারি কিন্ডারগার্টেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন-করেছে: মন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির মাদক-চোরাচালানবিরোধী অভিযানে ৬০ লাখ টাকার মাদকসহ বিপুল ভারতীয় পণ্য জব্দ সিলেটে বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

দুই ভাইকে বিয়ে করলেন এক নারী

  • Update Time : Tuesday, July 29, 2025
  • 424 Time View

Manual6 Ad Code

সিলেটের কথা ::: ভারতের হিমাচল প্রদেশের সিরমৌর জেলার এক ব্যতিক্রমী বিয়ে নিয়ে এখন আলোচনা তুঙ্গে। স্থানীয় শিলাই গ্রামের দুই ভাই—প্রদীপ নেগি ও কপিল নেগিকে একসঙ্গে বিয়ে করেছেন সুনিতা চৌহান নামের এক নারী।

Manual5 Ad Code

হাটি সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী বহুপতিত্ব প্রথা অনুসারে এই বিয়ে হয়েছে। স্থানীয়ভাবে ‘জোড়িদারা’ বা ‘জাজড়া’ নামে পরিচিত এই রীতিতে, একজন নারী একই পরিবারের একাধিক ভাইকে স্বামী হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন। সিরমৌরের ট্রান্স-গিরি অঞ্চলে আয়োজিত বিয়েতে গ্রামবাসী এবং আত্মীয়স্বজন মিলে জমজমাট উৎসবের আয়োজন হয়—লোকসংগীত, ঐতিহ্যবাহী নৃত্য এবং পিঠেপুলি ছিল অনুষ্ঠানের অংশ।

Manual6 Ad Code

যদিও এই প্রথা সেই অঞ্চলে বহুদিনের, তবু আধুনিক সময়ে এসে তা নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। বিবিসি বিয়েতে অংশ নেওয়া পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তারা কোনো মন্তব্য করেননি।

Manual1 Ad Code

তবে বিয়েতে অংশ নেওয়া পাত্র-পাত্রীরা জানান, এটি তাদের সম্মতিতেই হয়েছে। পাত্রী সুনিতা বলেন, ‘এই ঐতিহ্য সম্পর্কে আমি আগে থেকেই জানতাম। এটা আকস্মিক কিছু নয়, বরং আমাদের সংস্কৃতির একটি অংশ—যা নিয়ে আমরা গর্ব করি।’

এই প্রথার পেছনে ইতিহাস কী?
হাটি সম্প্রদায়ের মধ্যে এই রীতি মূলত পারিবারিক ঐক্য রক্ষায় প্রচলিত হয়েছিল। সম্পত্তি বিভাজন রোধ, যৌতুক এড়ানো এবং ভাইদের মধ্যে সম্পর্ক মজবুত রাখা ছিল এর উদ্দেশ্য।

স্থানীয় বাসিন্দা কপিল চৌহান বলেন, জোড়িদারা আমাদের পরিচয়। এটি আমাদের সামাজিক কাঠামোর একটি উপাদান। অনেক পরিবার আজও এই রীতি মেনে চলে।

শিমলা, কিন্নর, লাহুল-স্পিতি অঞ্চলেও হাটি সম্প্রদায়ের মাঝে এই প্রথার অস্তিত্ব রয়েছে।

সুনিতা আরও বলেন, আজকাল লিভ-ইন সম্পর্কও সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য হচ্ছে। তাহলে ঐতিহ্যগত কোনো রীতি নিয়ে এত প্রশ্ন কেন?

Manual1 Ad Code

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 Sylheter Kotha
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!