সিলেটের কথা ::: গ্যাস সংকটে পাম্প বন্ধ থাকার কারণে সিলেট-তামাবিল সড়ক অবরোধ করেছেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। শুক্রবার সকালে সিলেটের শিবগঞ্জ এলাকায় সুরমা অটো কেয়ার পাম্পের সামনে বিক্ষোভ করেন তারা। এতে এই সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। শ্রমিকদের দাবি, গ্যাস না পাওয়ায় গাড়ি বন্ধ রাখতে হচ্ছে তাদের। এতে বেকার হয়েছেন তারা।
এরআগে গত বুধবার জালালাবাদ গ্যাস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এলএনজি টার্মিনালের কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় পর্যায়ে প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ অনাকাঙ্ক্ষিত মাত্রায় হ্রাস পেয়েছে। ফলে সারাদেশের ন্যায় জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড এর বিতরণ এলাকায় স্বল্প চাপ বিরাজ করছে।
এরই প্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানের গ্যাস ব্যবহার ৫০% এর মধ্যে সীমিত আকারে অনুরোধ করা হচ্ছে। অন্যথায় গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হবে না।
এরপর বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন এবং কনভারশন ওয়ার্কশপ অনার্স অ্যাসোসিয়েশন সিলেট বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জাতীয়ভাবে গ্যাস সংকটের কারণে সিএনজি অ্যাসোসিয়েশন সিলেট বিভাগ ও জালালাবাদ গ্যাস লিমিটেড এর সাথে এক সমন্বয় সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১৩ আগস্ট সন্ধ্যা ছয়টা থেকে আগামী পাঁচদিন সকাল আটটা পর্যন্ত সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ থাকবে।
এমন সিদ্ধান্তে শ্রমিকরা অসন্তোষ জানিয়ে মূলত বিক্ষোভ করছেন।
এদিকে, ফিলিং স্টেশন মালিক এসোসিয়েশনের দায়িত্বশীলরা বলছেন, সকাল আটটার পর থেকে গ্যাস দেওয়ার কথা। কিন্তু এখন পর্যন্ত চাপ খুবই কম পাওয়া যাচ্ছে। জালালাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়টি জানাবেন বলে জানান তারা।
কোনো আগাম নোটিশ ছাড়া হঠাৎ করে সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত সব সিএনজি স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া কোনোভাবেই সমীচীন সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন না পাম্প মালিকরা৷ তাদের দাবি- এতে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে সিএনজিচালিত যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়বেন। অযথা জনদুর্ভোগ, জনরোষ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হবে।
এ ধরনের সিদ্ধান্ত প্রয়োজন হলে অন্তত জনগণকে আগে থেকে জানিয়ে, পর্যাপ্ত সময় দিয়ে এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে সমন্বয় করে নেওয়া উচিত ছিল।
জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে নগরের গুরুত্বপূর্ণ সিএনজি ফিলিং স্টেশন খোলা রেখেছেন মালিকরা৷
Leave a Reply