1. admin@sylheterkotha.com : admin :
  2. editor@sylheterkotha.com : editor :
May 27, 2026, 5:59 pm
Title :
সৌদির সঙ্গে মিল রেখে মৌলভীবাজারে ঈদের জামাত সিলেট নগরবাসীসহ সর্বস্তরের জনসাধারণকে ঈদ মোবারক জানিয়েছেন ইমদাদ হোসেন চৌধুরী ভারতে ভারী বৃষ্টি, সিলেটে বন্যার শঙ্কা ঈদে ৯৯ শতাংশ শ্রমিকদের বোনাস প্রদান করা হয়েছে, গুজব ছড়াবেন না-মন্ত্রী আরিফুল হক চামড়া শিল্পকে মাল্টি-বিলিয়ন ডলারের রপ্তানিখাতে পরিণত করাই সরকারের লক্ষ্য: খন্দকার মুক্তাদির ট্রেনে ঈদযাত্রায় স্বস্তিতে ঘরে ফিরছে মানুষ-বিলম্বের কারণে যাত্রীরা চরম ভোগান্তি সিলেটে কোথায় কখন ঈদ জামায়াত বৃষ্টির কারণে কোরবানির পশুর হাটে ধীরগতি, বিপাকে ক্রেতা-বিক্রেতা কোরবানির চামড়া দ্রুত বিক্রির আহ্বান ডিসির, বিক্রি না হলে সংগ্রহ করবে প্রশাসন সিলেট নগরের প্রতিটি ওয়ার্ডে বসবে আধুনিক এলইডি লাইট: সিসিক প্রশাসক

কোরবানির চামড়া দ্রুত বিক্রির আহ্বান ডিসির, বিক্রি না হলে সংগ্রহ করবে প্রশাসন

  • Update Time : Tuesday, May 26, 2026
  • 9 Time View

Manual4 Ad Code

সিলেটের কথা ::: সিলেটে কোরবানির পশুর চামড়া দ্রুত বিক্রির আহ্বান জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম। কেউ চামড়া বিক্রি করতে না পারলে জেলা প্রশাসনকে অবহিত করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, সেক্ষেত্রে স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে চামড়া সংগ্রহ করা হবে। কোনো অবস্থাতেই যেন এই জাতীয় সম্পদ নষ্ট না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে। মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক জানান, এ বছর সিলেট জেলায় কোরবানিকৃত প্রায় ৭০ থেকে ৮৫ হাজার পশুর চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। চামড়া সংরক্ষণে সহায়তার জন্য সরকার সিলেট জেলায় ৩৪৫ টন লবণ বরাদ্দ দিয়েছে।

Manual7 Ad Code

তিনি বলেন, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে স্কুল-কলেজ, খেলার মাঠ এবং পর্যটনকেন্দ্রের আশপাশে কোরবানি না করার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে। এছাড়া সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কোরবানি শেষে সর্বোচ্চ আট ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করবে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)।

Manual4 Ad Code

সংবাদ সম্মেলনে জেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Manual5 Ad Code

এদিকে, প্রতিবছরের মতো এবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ করবে না কওমি মাদ্রাসাগুলো। তবে কেউ তাদেরকে পৌঁছে দিলে সেগুলো তারা গ্রহণ করবে। গত ১১ মে এক সংবাদ সম্মেলনে কওমি মাদ্রাসা ভিত্তিক সংগঠন ‘কওমি মাদ্রাসা সংরক্ষণ পরিষদ’ বিগত দুই সরকারের ষড়যন্ত্র ও অকার্যকর সিদ্ধান্ত এবং বর্তমান সরকারের উদাসীনতার অভিযোগ তুলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে চামড়া সংগ্রহ শেষে বিক্রির পর তাদের লোকসানের প্রসঙ্গ এনে এই সিদ্ধান্ত নেয়।

ওই সভায় অভিযোগ করে জানানো হয়, বছরজুড়ে সর্বসাধারণের দান, মৌসুমী চাঁদা, কোরবানির পশুর চামড়া ইত্যাদি কওমি মাদ্রাসা পরিচালনায় আয়ের অন্যতম উৎস। কিন্তু বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ২০১৩ সালে কওমি মাদ্রাসার এই অন্যতম আয়ের উৎস বন্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে। ওই সরকারের অসৎ উদ্দেশ্যে ক্রমান্বয়ে দেশের রপ্তানি শিল্পের অন্যতম এই পণ্য দেশের বাজারে দরপতনের শিকার হতে থাকে। শেষপর্যন্ত কোরবানির চামড়া প্রায় মূল্যহীন পণ্যে পরিণত হয়। বর্তমান অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, কওমি মাদ্রাসাগুলো এলাকার মানুষের কোরবানির চামড়া সংগ্রহ করে যত টাকা পরিবহন খরচ করে, চামড়া বিক্রি করে সেই টাকাও ফেরত পায় না।

সংগঠনটির সদস্যসচিব মাওলানা মুশতাক আহমদ খাঁন তখন বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চামড়া শিল্প রক্ষায় উদ্যোগের কিছুটা তৎপরতা দেখালেও সুফল মেলেনি। গত বছর কোরবানির মৌসুমে ড. ইউনূস সরকার কওমি মাদ্রাসাগুলোকে চামড়া সংরক্ষণের জন্য কাঁচা লবণ সরবরাহ করে। কিন্তু এ উদ্যোগটি অযৌক্তিক ও অকার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। ওই সরকারের উচিত ছিল চামড়া শিল্পের দেশীয় বাণিজ্যিক সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা। বৈশ্বিক বাজারে মূল্যবান এই কাঁচামাল দেশীয় বাজারে মূল্যহীনতার দশা থেকে মুক্ত করতে ইন্টেরিম সরকার ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর চামড়া শিল্পের সুদিন ফেরার আশায় ছিলাম আমরা। কিন্তু সরকারের ১৮০ দিনের কোনো প্রকল্পেই চামড়া শিল্প নিয়ে কোনো পরিকল্পনা নেই। অথচ এটি একটি রাষ্ট্রের বড় আয়ের খাত। আগের সেই সিন্ডিকেট ভাঙতে পারেননি এই সরকার। যা কওমি মাদ্রাসাগুলোর কর্তৃপক্ষকে চরমভাবে হতাশ করেছে। সার্বিক বিবেচনায় সিলেট বিভাগের কওমি মাদ্রাসাগুলো আগামী কোরবানির মৌসুমে চামড়া সংগ্রহ না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে।

এদিকে, গতকাল সোমবার বিকালে সিলেটের জেলা প্রশাসকের সঙ্গে বৈঠকে বসে ‘কওমি মাদরাসা সংরক্ষণ পরিষদ’। সভা শেষে ‘কওমি মাদ্রাসা সংরক্ষণ পরিষদ’ এর সদস্য সচিব মাওলানা মুশতাক আহমদ খান জানান, জেলা প্রশাসকের আশ্বাসে আমরা চামড়া সংগ্রহ না করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছি। তবে ইতোমধ্যে ঈদের বন্ধে অনেক মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা বাড়ি চলে যাওয়ায় জনবল সংকট তৈরি হয়েছে। আমরা নগরবাসীকে অনুরোধ করবো তারা যেন দানের চামড়া নিকটবর্তী মাদ্রাসায় পৌঁছে দেন। আর যেসব মাদ্রাসার আবাসিকে শিক্ষার্থীরা রয়েছেন তারা ঈদের দিন চামড়া সংগ্রহ করবেন।

Manual5 Ad Code

তিনি আরও বলেন, ‘চামড়া একটি রাষ্ট্রীয় সম্পদ। জেলা প্রশাসক আমাদের এ বিষয়টি অনেক আন্তরিকতার সঙ্গে বিবেচনা করেছেন। তিনি আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন সরকার নির্ধারিত দামেই চামড়া বিক্রির ব্যবস্থা করবেন। এছাড়া, সংগৃহীত কাঁচা চামড়া পরিবহনে সহযোগিতা ও চামড়া প্রক্রিয়ায় দক্ষ লেবার দিবেন।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 Sylheter Kotha
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!