1. admin@sylheterkotha.com : admin :
  2. editor@sylheterkotha.com : editor :
March 23, 2026, 2:15 am
Title :
জাফলং-বিছানাকান্দিতে পর্যটকের ঢল, ভিড়ের সাথে বাড়ছে ভোগান্তিও ঈদের ছুটিতে প্রকৃতিপ্রেমীদের মিলনমেলা সিলেটের চা-বাগান এলাকায় হবিগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নারীসহ প্রাণ গেল ৪ জনের বাড়ি সিলেটে বুকে চাপ নিয়ে গত নির্বাচন মেনে নিয়েছি : সিলেটে জামায়াত আমির সিলেট শাহী ঈদগাহ ময়দানে ঈদের জামাতে-দেশ-জাতির কল্যাণ কামনায় মোনাজাত বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদ-সিলেট অঞ্চলের পক্ষে থেকে ঈদের শুভেচ্ছা ঈদের ছুটিতে বাসা-বাড়িতে চুরি ছিনতাই রোধে কাজ করবে র‍্যাব সিলেটে কোথায় কখন ঈদের জামাত মৌবন ক্রীড়া ও সমাজকল্যাণ সংস্থার পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন শ্রমিকরা বেতন ভাতা ঈদের আগেই পেয়েছেন : সিলেটে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

দুই ভাইকে বিয়ে করলেন এক নারী

  • Update Time : Tuesday, July 29, 2025
  • 284 Time View

Manual6 Ad Code

সিলেটের কথা ::: ভারতের হিমাচল প্রদেশের সিরমৌর জেলার এক ব্যতিক্রমী বিয়ে নিয়ে এখন আলোচনা তুঙ্গে। স্থানীয় শিলাই গ্রামের দুই ভাই—প্রদীপ নেগি ও কপিল নেগিকে একসঙ্গে বিয়ে করেছেন সুনিতা চৌহান নামের এক নারী।

Manual7 Ad Code

হাটি সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী বহুপতিত্ব প্রথা অনুসারে এই বিয়ে হয়েছে। স্থানীয়ভাবে ‘জোড়িদারা’ বা ‘জাজড়া’ নামে পরিচিত এই রীতিতে, একজন নারী একই পরিবারের একাধিক ভাইকে স্বামী হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন। সিরমৌরের ট্রান্স-গিরি অঞ্চলে আয়োজিত বিয়েতে গ্রামবাসী এবং আত্মীয়স্বজন মিলে জমজমাট উৎসবের আয়োজন হয়—লোকসংগীত, ঐতিহ্যবাহী নৃত্য এবং পিঠেপুলি ছিল অনুষ্ঠানের অংশ।

যদিও এই প্রথা সেই অঞ্চলে বহুদিনের, তবু আধুনিক সময়ে এসে তা নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। বিবিসি বিয়েতে অংশ নেওয়া পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তারা কোনো মন্তব্য করেননি।

Manual4 Ad Code

তবে বিয়েতে অংশ নেওয়া পাত্র-পাত্রীরা জানান, এটি তাদের সম্মতিতেই হয়েছে। পাত্রী সুনিতা বলেন, ‘এই ঐতিহ্য সম্পর্কে আমি আগে থেকেই জানতাম। এটা আকস্মিক কিছু নয়, বরং আমাদের সংস্কৃতির একটি অংশ—যা নিয়ে আমরা গর্ব করি।’

Manual1 Ad Code

এই প্রথার পেছনে ইতিহাস কী?
হাটি সম্প্রদায়ের মধ্যে এই রীতি মূলত পারিবারিক ঐক্য রক্ষায় প্রচলিত হয়েছিল। সম্পত্তি বিভাজন রোধ, যৌতুক এড়ানো এবং ভাইদের মধ্যে সম্পর্ক মজবুত রাখা ছিল এর উদ্দেশ্য।

Manual7 Ad Code

স্থানীয় বাসিন্দা কপিল চৌহান বলেন, জোড়িদারা আমাদের পরিচয়। এটি আমাদের সামাজিক কাঠামোর একটি উপাদান। অনেক পরিবার আজও এই রীতি মেনে চলে।

শিমলা, কিন্নর, লাহুল-স্পিতি অঞ্চলেও হাটি সম্প্রদায়ের মাঝে এই প্রথার অস্তিত্ব রয়েছে।

সুনিতা আরও বলেন, আজকাল লিভ-ইন সম্পর্কও সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য হচ্ছে। তাহলে ঐতিহ্যগত কোনো রীতি নিয়ে এত প্রশ্ন কেন?

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 Sylheter Kotha
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!