1. admin@sylheterkotha.com : admin :
  2. editor@sylheterkotha.com : editor :
July 7, 2026, 6:35 pm
Title :
স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রকে উড়িয়ে কোয়ার্টার-ফাইনালে বেলজিয়াম পর্তুগালকে হারিয়ে কোয়ার্টার-ফাইনালে স্পেন বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের প্রাতঃরাশ, সিলেটের উন্নয়ন ও বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা জাফলং জিরো পয়েন্টে গভীর রাতে টাস্কফোর্সের অভিযান, বালু উত্তোলনের দায়ে কারাদণ্ড সুনামগঞ্জে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়েছিলেন মা-বাবা-তিনজন একসাথে মারা গেলেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ হলান্ডের জোড়া গোলে ব্রাজিলকে কাঁদিয়ে কোয়ার্টার-ফাইনালে নরওয়ে জাফলংয়ে তিন শিক্ষার্থীর এক কবরযাত্রা, শোকে স্তব্ধ গোয়াইনঘাট সৌদি আরবে যেভাবে প্রাণ গেল সিলেটের ২ যুবকের তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় খামেনির প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত

পর্তুগালকে হারিয়ে কোয়ার্টার-ফাইনালে স্পেন

  • Update Time : Tuesday, July 7, 2026
  • 6 Time View

Manual6 Ad Code

ক্রীড়া ডেস্ক ::: ফিফা বিশ্বকাপে স্পেন ও পর্তুগালের মধ্যকার শেষ ষোলোর লড়াইয়ের প্রথমার্ধ ছিল বেশ রোমাঞ্চকর। একের পর এক আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে দুদল। সেই তুলনায় দ্বিতীয়ার্ধ ছিল অনেকটাই ম্যাড়ম্যাড়ে। স্পেনের আক্রমণ সামলাতেই সময় কাটিয়েছে পর্তুগিজরা। এভাবেই শেষ হয় ৯০ মিনিট। অবশেষে যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর করা গোলে জয় নিশ্চিত করে স্পেন।

 

এর মধ্য দিয়ে শেষ আটে জায়গা করে নিলো স্পেন। আর শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিতে হলো ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালকে।

যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে বাংলাদেশ সময় সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাত ২টায় অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে স্পেন ও পর্তুগাল ফুটবল দল। তবে দুই দলের কাউকেই কখনো সেভাবে তেড়েফুঁড়ে আক্রমণ করতে দেখা যায়নি। মাঝের বিরতির পর খেলার গতি কমে আসে আরও। সময় গড়ানোর সঙ্গে দুই পক্ষই যেন আরও বেশি সতর্ক হয়ে ওঠে, ঠিক তখনই একটা সেটপিস পেয়ে ব্যবধান গড়ে দেন মেরিনো।

Manual7 Ad Code

প্রায় ৫৫ শতাংশ সময় পজেশন রেখে গোলের জন্য ১৫টি শট নিয়ে ছয়টি লক্ষ্যে রাখতে পারে স্পেন। পর্তুগালের ১০ শটের কেবল দুটিই ছিল লক্ষ্যে।

এরই সঙ্গে শেষ হয়ে গেল পাঁচবারের ব্যালন ডি অ’র জয়ী, রেকর্ড ছয় বিশ্বকাপের গোলদাতা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর বিশ্বকাপ অধ্যায়। ক্লাব ফুটবলে অফুরন্ত সাফল্য পাওয়া এই মহাতারকা জাতীয় দলের হয়ে একবার জিতেছেন ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ, কিন্তু এই সোনালী ট্রফির স্বাদ আর পাওয়া হলো না তার।

শেষ বত্রিশে দুটিসহ চলতি আসরে মোট চারটি গোল করা মিকেল ওইয়ারসাবাল নবম মিনিটেই দলকে এগিয়ে নেওয়ার নিশ্চিত সুযোগ পান। তবে, দানি ওলমোর থ্রু পাস ধরে গোলরক্ষককে একা পেয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নেন রেয়াল সোসিয়েদাদের ফরোয়ার্ড।

চার মিনিট পর, পেদ্রির থেকে বল কেড়ে নিয়ে ব্রুনো ফের্নান্দস বাড়ান রোনালদোকে। ডি-বক্সে ঢুকে দুরূহ কোণ থেকে পর্তুগাল অধিনায়কের নেওয়া জোরাল শট কর্নারের বিনিময়ে আটকান উনাই সিমন।

প্রথম হাইড্রেশন ব্রেকের আগে-পরে বেশ কিছুক্ষণ আক্রমণে চাপ ধরে রাখে স্পেন। যদিও দিয়োগো কস্তাকে তেমন পরীক্ষায় ফেলতে পারছিল না তারা।

৩৭তম মিনিটে পাল্টা আক্রমণে প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে ভীতি ছড়ায় পর্তুগাল। ডান দিক থেকে নেতোর দূরের পোস্টে বাড়ানো ক্রসে হেড করেন জোয়াও ফেলিক্স। বল গোলরক্ষকের কাঁধে লেগে ছয় গজ বক্সের মুখে চলে যায়, কোনোমতে ভলি করার চেষ্টা করেন রোনালদো, বলে ছিল না গতি, ছুটে এসে গ্লাভসে নেন সিমন।

Manual1 Ad Code

৪১তম মিনিটে গোল প্রায় পেয়েই যাচ্ছিল পর্তুগাল। ডান দিক থেকে নুনো মেন্দসের জোরাল শটে বল পেদ্রো পররোর মাথায় লেগে, ক্রসবারে প্রতিহত হলে বেঁচে যায় স্পেন।

দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলের আক্রমণেই ধার আরও কমে আসে। এই অর্ধের প্রথম ২৫ মিনিটের একমাত্র উল্লেখযোগ্য ঘটনা পর্তুগালের জন্য হয়ে আসে বড় ধাক্কা; চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন শুরু থেকে দারুণভাবে রক্ষণ সামলানো নুনো মেন্দস।

Manual7 Ad Code

দ্বিতীয় পানি পানের বিরতির পরপরই, ডেডলক ভাঙার একটা সুযোগ আসে পর্তুগালের সামনে, তবে ফের্নান্দেসের শটটা পাশের জাল কাঁপায়। খানিক পর দানি ওলমোর জোরাল শট স্লাইড করে আটকে দেন হুভেন নেভ্স।

Manual2 Ad Code

নির্ধারিত ৯০ মিনিটে দারুণভাবে রক্ষণ সামলানো পর্তুগাল যোগ করা সময় শুরু হতেই এলোমেলো হয়ে যায়। ডি-বক্সের অনেকটাই বাইরে ফ্রি কিক পায় স্পেন। ছোট করে নেওয়া ফ্রি কিকের পর, সতীর্থদের পা ঘুরে বল পেয়ে, দারুণ এক রক্ষণচেরা থ্রু বল বাড়ান ফেররান তরেস আর ছুটে গিয়ে নিখুঁত শটে ব্যবধান গড়ে দেন ওলমোর বদলি নামা মেরিনো।

ছয় মিনিট যোগ করা সময়ের অন্তিম মুহূর্তে ভালো পজিশনে বল পেয়ে হেড করেন বের্নার্দো সিলভা, বল ক্রসবারে ঘেঁষে গিয়ে পড়ে উপরের জালে।

একটু পরেই বাজে শেষের বাঁশি। শুরু হয় স্পেনের কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠার উদযাপন, আর অন্যপাশে আরেকবার ব্যর্থতার গল্প লিখে হতাশায় নুইয়ে পড়ে পর্তুগিজ শিবির।

ক্যামেরার চোখে ধরা পড়ে রোনালদোর অশ্রুসিক্ত চোখ, বারবার চেষ্টা করেও না পাওয়ার বেদনা নিয়ে শেষ হলো তার বিশ্বকাপ অধ্যায়।

অবশ্য এমন বিদায়ের মধ্যেও আত্মতৃপ্তি আছে পর্তুগিজ মহাতারকার। তার দাবি, দেশের হয়ে নিজের সামর্থ্যের সবটুকুই উজাড় করে দিয়েছেন। আর সে কারণেই বিদায়ের মুহূর্তে বিবেকের কাছে নিজেকে নির্ভার মনে হচ্ছে তার।

বিদায়ের পর নিজের জাতীয় দল ক্যারিয়ারের অর্জনের কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন রোনালদো। বলেছেন, তার আগে পর্তুগাল কোনো শিরোপাই জেতেনি, অথচ তার সময়ে দল জিতেছে তিনটি ট্রফি।

স্পেনের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ার পর রোনালদো আরেকবার নিশ্চিত করেছেন, এটিই ছিল তার শেষ বিশ্বকাপ। তবে বিশ্বকাপ জিততে না পারলেও ২০১৬ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপাকেই নিজের কাছে বিশ্বকাপ জয়ের সমান মর্যাদা দেন তিনি, ‘আমি ২০১৬ ইউরো জিতেছি। আমার কাছে সেই শিরোপার মর্যাদা বিশ্বকাপ জয়ের সমান। সেই অর্জন চিরকাল আমার সঙ্গেই থাকবে। আগামীকাল নতুন একটি দিন, আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 Sylheter Kotha
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!