1. admin@sylheterkotha.com : admin :
  2. editor@sylheterkotha.com : editor :
September 25, 2026, 6:53 am
Title :
সুনামগঞ্জে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ গোয়াইনঘাটে অবৈধ বালু উত্তোলন, ৪ মেশিন ধ্বংস গোয়াইনঘাটে মুক্ত স্কাউট গ্রুপের রোভার ওরিয়েন্টেশন শিক্ষার পাশাপাশি দক্ষতা অর্জনে গুরুত্ব দিতে হবে: মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ও ভারতের সহযোগিতা প্রয়োজন: শফিকুর রহমান হাম উপসর্গে সিলেটে ২ শিশুর মৃত্যু সিলেট নগরী একটি ফ্ল্যাট থেকে ৫ নারীসহ আটক ৬ ভাইরাল’ হওয়া সেই বিউটি পাল এবার সিলেট জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের মিছিল ও সমাবেশ শ্রীমঙ্গলে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেলো অটোরিকশার তিন যাত্রীর

গাজার শিশুরা ‘দিনে একবেলারও কম’ খেয়ে আছে

  • Update Time : Sunday, April 20, 2025
  • 553 Time View

Manual7 Ad Code

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ভেঙ্গে গত ১৮ মার্চ গাজায় আবারও ভয়াবহ হামলা শুরু করে ইসরায়েল। ওই সময় থেকে এখন পর্যন্ত যুদ্ধবিধ্বস্ত উপত্যকাটিতে খাবারসহ সকল ধরনের মানবিক সহায়তার ওপর অবরোধ দিয়ে রেখেছে দখলদার বাহিনী। এ ছাড়া প্রতিনিয়ত চলছে বিমান হামলা।

এমন গাজার শিশুরা দিনে গড়ে একবেলারও কম খাবার খেয়ে বেঁচে আছে। গাজায় মানবিক সহায়তা পরিচালনা করা ১২টি দাতা সংস্থার প্রধানরা গত বৃহস্পতিবার এক জরুরি সতর্কবার্তায় এ কথা বলেছেন জানিয়ে খবর দিয়েছে আল-জাজিরা।

ওই যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েলের ১৮ মাসের সামরিক অভিযান ও গত মাসে আরোপ করা পূর্ণ অবরোধের কারণে গাজার মানবিক সহায়তা ব্যবস্থা ‘সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার উপক্রম’ হয়েছে।

Manual6 Ad Code

ওই বিবৃতিতে বলা হয়, ৪৩টি আন্তর্জাতিক ও ফিলিস্তিনি সহায়তা গোষ্ঠীর প্রায় ৯৫ শতাংশ এরই মধ্যে গাজায় তাদের পরিষেবা স্থগিত বা বন্ধ করে দিয়েছে। ব্যাপকভাবে ও নির্বিচার বোমা হামলার ফলে (গাজায়) চলাফেরা করা খুব বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে।

দাতা গোষ্ঠী অক্সফামের নীতিবিষয়ক প্রধান বুশরা খালিদী বলেন, ‘শিশুরা দিনে একবেলারও কম খাবার খাচ্ছে ও পরবর্তী বেলার খাবার খুঁজে পেতে লড়াই করছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সবাই শুধু টিনজাত খাবার খাচ্ছে…গাজায় অপুষ্টি এবং কোনো কোনো জায়গায় নিশ্চিতভাবে দুর্ভিক্ষের ঘটনা ঘটছে।’

Manual4 Ad Code

ডক্টরস উইদাউট বর্ডারসের গাজার জরুরি সমন্বয়কারী আমান্দে বাজেরোল বলেন, ‘এটিকে মানবিক ব্যর্থতা বলা যায় না। রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কারণেই এটি ঘটছে। এটি (ফিলিস্তিনি) জনগণের বেঁচে থাকার অধিকারের ওপর ইচ্ছাকৃত আঘাত, যা (ইসরায়েলি সেনারা) দায়মুক্তির সঙ্গে কার্যকর করছে।’

গাজা সিটি থেকে আল–জাজিরার প্রতিবেদক হানি মাহমুদ গত শুক্রবার বলেন, শিশুদের ফর্মুলা (প্রস্তুতকৃত খাবার) ফুরিয়ে যাচ্ছে। এতে করে শিশু ও নবজাতকেরা অপুষ্টিতে পড়তে যাচ্ছে।

হানি মাহমুদ বলেন, ‘আমরা অনেক গুরুতর অপুষ্টির ঘটনা দেখেছি। পরিবারগুলো নিজেদের সবচেয়ে মৌলিক চাহিদাও পূরণ করতে পারছে না। এমনকি খুবই ঝুঁকিতে থাকা শিশু এবং নবজাতকদের প্রয়োজনও তারা পূরণ করতে পারছে না। বাজার ও ফার্মেসি থেকে শিশুদের ফর্মুলা মোটামুটি উধাও হয়ে গেছে। ’

গাজার দির আল-বালাহ এলাকার আল-আকসা হাসপাতালের বাইরে কিছু ফিলিস্তিনি আল–জাজিরাকে বলেন, অপুষ্টির কারণে তাদের সন্তানেরা মারা যাচ্ছে।

ছেলে হারানো ফাদি আহমেদ বলেন, হাসপাতালের চিকিৎসকেরা তার ছেলের ফুসফুসে ব্যাপক সংক্রমণ শনাক্ত করেন। তার রক্তে অক্সিজেনের তীব্র অভাব দেখা দিয়েছিল। এই বাবা আরও বলেন, ‘দুর্বলতা ও তীব্র অপুষ্টির কারণে ছেলে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছিল। হাসপাতালে এক সপ্তাহ থাকার পর সে মারা যায়।’

ইন্তিসার হামদান নামের এক নারী বলেন, ‘আমার নাতির মা-বাবা তিন দিন ধরে কোনো দুধ খুঁজে পাননি। ফলে আমার নাতিকে মারা যেতে হলো।’

Manual2 Ad Code

আল–জাজিরার তারেক আবু আজম বলেন, ‘শিশুরা শুধু অপুষ্টিতেই ভুগছে না; বরং গুরুতর চিকিৎসা জটিলতা ও রোগেও ভুগছে; যা সহজে নিরাময় করা সম্ভব নয়। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রী সরবরাহেও ঘাটতি রয়েছে।’

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, উপত্যকাটিতে অন্তত ৬০ হাজার শিশু অপুষ্টিতে ভুগছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Manual4 Ad Code

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 Sylheter Kotha
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!