1. admin@sylheterkotha.com : admin :
  2. editor@sylheterkotha.com : editor :
August 9, 2026, 8:12 am
Title :
ইউনিক ও বেঙ্গল পরিবহনের সেই দুই বাসের রেজিস্ট্রেশন বাতিল, মালিক-চালককে হাজিরের নির্দেশ সিলেট-আখাউড়া রেলপথ ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন করার দাবি সিলেট বিভাগ গণদাবি পরিষদের জিয়া সংসদ সিলেট জেলা শাখার ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং ঐক্যের রাজনীতি’ শীর্ষক আলোচনা হৃদয়ে জকিগঞ্জ সিলেটের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত রাতারগুলে ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি-ঝুঁকিপূর্ণ ওয়াচ টাওয়ার, যানজটে নাকাল পর্যটক সিলেটে দুর্ঘটনায় আহতদের দেখতে ওসমানী হাসপাতালে মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ ৫ বন্ধু সিলেটে এসেছিলেন ঘুরতে, ফেরার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান সাইফুল সিলেটের সড়ক দুর্ঘটনায় বাউল শিল্পী পেহেলী ভৈরবী নিহত সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সিলেটে বাবৌযুপ’র দ্বিতীয় পর্যায়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সম্পন্ন সিলেটে ইউনিক ও বেঙ্গল পরিবহনের দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৯

নেপালের ক্ষমতা কি সেনাবাহিনীর হাতে

  • Update Time : Thursday, September 11, 2025
  • 226 Time View

Manual8 Ad Code

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ::: নেপালে জেন-জিদের আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন সরকার। যদিও পুলিশ-সেনা মোতায়েন করে সে বিক্ষোভ দমনের চেষ্টা করা হয়। গত সোমবার দমন-পীড়নে ১৯ জনের মৃত্যুর পর বিক্ষোভের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ ছড়িয়ে পড়ে দেশজুড়ে। এর জেরে মঙ্গলবার পদত্যাগ করতে বাধ্য হন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি। সরকার পতনের পর জনসমর্থন এখন সরকার ও প্রচলিত দলের বিরুদ্ধে।

Manual3 Ad Code

গত মঙ্গলবার রাত ১০টার পরে নেপালে সেনাবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়। নেপালের গবেষণা প্রতিষ্ঠান নেপাল সেন্টার ফর কনটেমপোরারি রিসার্চের (এনসিসিআর) পরিচালক বিষ্ণু রাজ উপরেতি বলেন, নেপালে সেনা সমাবেশের ঘটনা আগে সচরাচর দেখা যায় না। তবে এর আগেও দেশটির রাস্তায় সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল।

Manual6 Ad Code

বিষ্ণু রাজ বলেন, মাওবাদী বিদ্রোহের শেষের অর্ধেক’ সময়ে সেনা মোতায়েনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উদাহরণ দেখা যায়। নেপালে ১৯৯৬ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত গৃহযুদ্ধ চলেছিল। এই গৃহযুদ্ধের শুরু হয়েছিল রাজতন্ত্র ও সরকারের বিরুদ্ধে কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল (মাওবাদী) সশস্ত্র বিদ্রোহ শুরু করলে। ওই বিদ্রোহ শেষে ২০০৮ সালে নেপালে রাজতন্ত্রের পতন নয়। যাত্রা শুরু করে প্রজাতন্ত্র।

Manual6 Ad Code

সোমবার বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর সেনাবাহিনী প্রথম দিকে ব্যারাকেই ছিল। পরে বিক্ষোভ থামাতে পুলিশ ব্যর্থ হলে সেনাসদস্যদের সড়কে নামান প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাওদেল। বিষ্ণু রাজ বলেন, পরিস্থিতি বেসামরিক সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল। তাই প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সমন্বয় করে এগিয়ে আসে সেনাবাহিনী। এটি সংকট থেকে পরিত্রাণের একটি উপায়।

কে পি শর্মা অলির পদত্যাগের পর দেশটি এখন সরকারশূন্য। বেছে নিতে হবে দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী। মাঝের এই সময়টাতে নেপালে একটি প্রশাসনিক শূন্যতা সৃষ্টি হবে। নেপালের পোখরা ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক যোগরাজ লামিচানে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনী শুধু শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার কাজ করবে। প্রশাসনিক শূন্যতা পূরণের ভূমিকা পালন করবে না।

গবেষক বিষ্ণু রাজ বলেন, তবে বাস্তবতা হলো বর্তমানে কার্যত সেনাবাহিনীই দেশের দায়িত্বে রয়েছে। আনুষ্ঠানিকভাবে সেনাবাহিনীর ওপর প্রেসিডেন্টের অবস্থান। তবে তরুণ আন্দোলনকারীরা তাঁকে মেনে নিচ্ছেন না। ফলে তাঁকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। তাই সংবিধান অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট নেপালের দায়িত্বে থাকলেও কার্যত দায়িত্ব পালন করছে সেনাবাহিনী।

Manual3 Ad Code

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 Sylheter Kotha
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!