1. admin@sylheterkotha.com : admin :
  2. editor@sylheterkotha.com : editor :
June 24, 2026, 9:47 pm
Title :
সিলেটের পর্যটন কেন্দ্র নানা বয়সী মানুষের ঢল সিলেটে হামের উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু প্রায় ৫ ঘন্টা পর সিলেটের সাথে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক লাউয়াছড়ায় বগি লাইনচ্যুত, সিলেটের সাথে সারাদেশের রেলযোগাযোগ বন্ধ চামড়া শিল্পকে আরও শক্তিশালী ও রপ্তানিমুখী করার লক্ষ্য সরকারের : বাণিজ্যমন্ত্রী মুক্তাদির সিলেট বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু কথা রেখেছে সিসিক, ৮ ঘণ্টাতেই অপসারিত হলো নগরের কোরবানির বর্জ্য বৃষ্টি উপেক্ষা করে সিলেট শাহী ঈদগাহ ময়দানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত সৌদির সঙ্গে মিল রেখে মৌলভীবাজারে ঈদের জামাত সিলেট নগরবাসীসহ সর্বস্তরের জনসাধারণকে ঈদ মোবারক জানিয়েছেন ইমদাদ হোসেন চৌধুরী

হবিগঞ্জে তলিয়ে গেছে পাঁচ হাজার হেক্টর জমির ধান

  • Update Time : Thursday, April 30, 2026
  • 78 Time View

Manual2 Ad Code

সিলেটের কথা ::: টানা বর্ষণে হবিগঞ্জের চার উপজেলায় অন্তত পাঁচ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান তলিয়ে গেছে। যারা জমি থেকে ফসল কাটতে পেরেছেন, তাদের ধানও মাঠে ভিজছে। রোদ না থাকায় শুকিয়ে গোলায় তুলতে পারছেন না কৃষক। এ অবস্থায় বছরের একমাত্র ফসল হারিয়ে বানিয়াচং, আজমিরীগঞ্জ, লাখাই ও নবীগঞ্জ উপজেলায় হাজার হাজার কৃষক অসহায় হয়ে পড়েছেন। তারা সরকারি সহায়তা দাবি করেছেন।

Manual4 Ad Code

হবিগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক বলেন, টানা বৃষ্টির আশঙ্কা থেকে কৃষকদের আগেই সতর্ক করে পাকা ধান দ্রুত কাটার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।

Manual3 Ad Code

“গেল কয়েকদিনে বানিয়াচং, আজমিরীগঞ্জ, লাখাই ও নবীগঞ্জ উপজেলায় প্রায় পাঁচ হাজার হেক্টর জমির পাকা ধান তলিয়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয়ে আমাদের মাঠের কর্মকর্তারা কাজ করছেন।”

এদিকে বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে হবিগঞ্জের নদ-নদীর পানিও ক্রমেই বেড়ে চলেছে। এই পানি হাওরে প্রবেশ করে বন্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে। চারটি উপজেলায় যে ফসল তলিয়েছে সেখানে ১০-১২টি হাওর রয়েছে। টানা বৃষ্টিপাত এবং পানি দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় কৃষকরা তাদের পাকা ধান ঘরে তুলতে পারেননি।

এমনকি খলায় থাকা ধানও তোলা যায়নি গোলায়। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা ডুবে যাওয়া জমি থেকে ধান উদ্ধারে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। অনেককে পানির নিচ থেকে ধান কেটে তুলতে দেখা যায়। এতে স্থানীয়ভাবে উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

লাখাই উপজেলার করাব গ্রামের কৃষক রফিক মিয়া বলেন, “কৃষকদের কান্না কেউ দেখছে না। সারা বছরের সোনালি ফসল এভাবে চোখের সামনে তলিয়ে যাবে ভাবতে পারছি না।”

Manual6 Ad Code

তিনি বলেন, “আমার আট বিঘা জমির সবটুকু পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এখন পরিবার-পরিজন নিয়ে কিভাবে চলমু তা নিয়ে ভাবতেছি।”

নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ গ্রামের কৃষক রহমান উল্লাহ বলেন, “জমিতে ধান পেকে গেছিল। আর কদিন পরই ঘরে তোলার সময়। কিন্তু টানা বৃষ্টি ও উজানের পানি দ্রুত জমিতে উঠে যায়। যে কারণে পাকা ধান জমিতেই তলিয়ে গেছে।”

আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বিরাট গ্রামের কৃষক জিহান আহমেদ বলেন, “আমাদের উপজেলা ভাটি অঞ্চল হওয়ায় বৃষ্টির পানিই আমাদের জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। হাওরের সব নিচু এলাকা তলিয়ে গেছে।”

তিনি বলেন, “বৃষ্টি ও উজানের ঢল অব্যাহত থাকায় আরও বিস্তীর্ণ এলাকার ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।”

Manual1 Ad Code

হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সায়েদুর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত জেলার কোনো নদ-নদীর বাঁধে ভাঙন দেখা দেয়নি। তবে বেশ কিছু নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 Sylheter Kotha
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!