1. admin@sylheterkotha.com : admin :
  2. editor@sylheterkotha.com : editor :
March 29, 2026, 10:49 am
Title :
গ্রিসে যাওয়ার পথে সাগরে প্রাণ হারানো ১০ জনই সুনামগঞ্জের সাগর পথে গ্রিসে যাওয়ার সময় নিহতদের মধ্যে ৪ জন দিরাইয়ের ৭১ কখনো অন্য কোনো ইতিহাসের সঙ্গে মিলবে না’: কয়েস লোদী জাফলং জিরো পয়েন্টে আবারও প্রাণহানি, এক বছরে ৬ পর্যটকের মৃত্যু সিলেটে জ্বালানী তেলের ডিপোর নিরাপত্তায় বিজিবি মোতায়েন জাফলং বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে জিহাদ নামে এক পর্যটকের মৃত্যু বিপিজেএ এর উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত মহান স্বাধীনতা দিবসে সিলেট জেলা কর আইনজীবী সমিতির শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ মহান স্বাধীনতা দিবসে সিলেট উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির পুষ্পস্তবক অর্পণ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের শ্রদ্ধাঞ্জলি

গ্রিসে যাওয়ার পথে সাগরে প্রাণ হারানো ১০ জনই সুনামগঞ্জের

  • Update Time : Sunday, March 29, 2026
  • 4 Time View

Manual1 Ad Code

সিলেটের কথা ::: লিবয়া থেকে সাগরপথে ইউরোপে যাওয়ার পথে গ্রিসের উপকূলে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২২ অভিবাবসনপ্রত্যাশী। এদের মধ্যে ১৮ জনের বাড়ি বাংলাদেশে বলে জানা গেছে। আর ১০ জনই সুনামগঞ্জের বাসিন্দা।

নিহত ১০ জনের মধ্যে জেলার জগন্নাথপুর উপজেলারই রয়েছেন পাঁচ যুবক। তারা হলেন উপজেলার পাইলগাঁও গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে আমিনুর রহমান (৩৫), উপজেলার টিয়ারগাঁও গ্রামের আকলিফ মিয়ার ছেলে শায়ক মিয়া (২০), উপজেলার পৌর এলাকার কবিরপুর গ্রামের দুলন মিয়ার ছেলে নাঈম মিয়া (২২), উপজেলার ইছগাঁওয়ের বাছির হোসেনের ছেলে আলী হোসেন (২৫), ও বাউরি গ্রামের সামসুল হকের ছেলে ইবাদত হক সুহানুর ( ২২ ) ।

Manual8 Ad Code

দিরাই উপজেলার আছেন চারজন। তারা হলেন, উপজেলার তারাপাশা গ্রামের আবু সর্দারের ছেলে মো. নুরুজ্জামান সর্দার ময়না (৩০), একই গ্রামের মৃত ক্বারী ইসলাম উদ্দীনের ছেলে মো. সাহান ( ২৫ ), আব্দুল গণির ছেলে মো. সাজিদুর রহমান (২৮), উপজেলার রনারচর গ্রামের মুজিবুর রহমান (৪০)। এছাড়া দোয়ারাবাজার উপজেলার আরেকজন মারা গেছেণ। তিনি কবিরনগর গ্রামের ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে ফাহিম আহমেদ মুন্না (২০) । এছাড়া, দিরাই উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নের তারেক (২২) নামের আরো একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

Manual5 Ad Code

তবে, একই নৌকা থেকে ২৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ২১ জনই বাংলাদেশি। পরে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মাধ্যমে জানা যায়, নিহতদের মধ্যে অনেকের মরদেহ সমুদ্রে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যার দিকে এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। প্রাণে বেচে যাওয়া কিশোরগঞ্জের এক যুবককে ভিডিওতে বলতে শোনা যায়, “আমাদেরকে বড় বোটের কথা বলে ছোট বোটে তুলে দেওয়া হয়। ওই বোটে ৫ জন সুদানের নাগরিক ও অন্য ৩৮ জন বাংলাদেশি ছিলেন। তাদের মধ্যে ১৮ জন মারা গেছেন, যাদের বাড়ি বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ ও সিলেটে। বাকি আমরা জীবিত আছি, আর মারা যাওয়া যুবকদের মরদেহ দুইদিন বোটে রাখা হয়েছিল। পরে মরদেহ পচে দুর্গন্ধ বের হওয়ায় সকলকে সাগরে ফেলে দেওয়া হয়। লবণের পানিতে আমাদের অবস্থাও খারাপ।”

Manual7 Ad Code

মারা যাওয়া দিরাইয়ের নুরুজ্জামান সরদার ময়নার মামা উমেদ আলী জানান, ওই নৌকায় থাকা একজন আমাকে ফোন করে ময়নার মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন। ময়না ছাড়াও দিরাইয়ের আরও তিনজনসহ বেশ কয়েকজন বাংলেদেশি মারা গেছেন বলে ফোনে জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, দিরাই উপজেলার তারাপাশা গ্রামের মুজিবুর রহমান নামে একব্যক্তির সঙ্গে জনপ্রতি প্রায় ১২ লাখ টাকায় চুক্তি করে ময়নাসহগ নিহত অপর তিনজন লিবিয়া হয়ে গ্রিসে যাওয়ার উদ্যোগ নেন। চুক্তি অনুযায়ী বড় ও নিরাপদ নৌকায় করে যাত্রার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাদের ছোট ও ঝুঁকিপূর্ণ নৌকায় তুলে দেওয়া হয়।

দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সনজীব সরকার বলেন, গ্রীস যাওয়ার পথে সাগরে দিরাই উপজেলার চার জন মারা গেছেন। এরমধ্যে তিন জন কুলঞ্জি ইউনিয়নের ও একজন রাজানগর ইউনিয়নের। আমি স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে চারজনের মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি।

তিনি বলেন, ওই চারজনের সাথে কুলঞ্জি ইউনিয়নের আরও দুজন ছিলেন। তাদের মাধ্যমেই চারজন মারা যাওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি ) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে নিহত ২২ জন অভিবাসন প্রত্যাশীর মধ্যে জগন্নাথপুরের ৪ জন রয়েছে বলে জেনেছি। আমরা যাচাইবাছাই করে দেখব কতজন মারা গেছেন।”

Manual8 Ad Code

এদিকে, এমন ঘটনার পর দালালচক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন সচেতন নাগরিকরা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 Sylheter Kotha
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!