সিলেটের কথা ::: সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪০নং ওয়ার্ডের আলমপুর মনিপুরস্থ হাজী ফিরোজ মিয়া জামে মসজিদের উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) পবিত্র জুম্মার নামাজের মধ্য দিয়ে এর শুভ উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোনাজাত করেন দরগাহ হযরত শাহজালাল (রহঃ) জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা হুযায়ফা হুসাইন চৌধুরী। জুম্মার নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা হাফেজ নাহিদ আহমদ আজহারী, লন্ডন।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কেন্দ্রীয় নায়বে আমীর মাওলানা রেজাউল করিম জালালী, কদমতলী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মজির উদ্দিন ক্বাসেমী, আলমপুর মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফিজ মাওলানা ইসমাইল বিন শফিক, আলিম ইন্ডাস্ট্রিজ এর এমডি আলিমুল এহসান চৌধুরী, স্বাদ কোম্পানীর এমডি নুরুল আলম, সিলেট জেলা ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক, সহ সভাপতি লিলু শাহ আহমদুর রব, ট্রেড সেন্টারের সভাপতি সাদ উদ্দিন, দরগাহ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ দুদু, ব্যবসায়ী আলেক মিয়া, লায়েক আহমদ, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মঈন উদ্দিন, এডভোকেট তাজ উদ্দিন, সাংবাদিক মঈন উদ্দিন মঞ্জু, হবিগঞ্জ বানিয়াচং এর ৮নং খাগাউড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাসুদ কোরেশী মক্ষি, বিসিক জামে মসজিদের ইমাম তালহা চৌধুরী, নোমানুল হক জুনেদ, জিয়াউর রহমান, আলমপুর মসজিদের মোতাওয়াল্লী ফয়সল আহমদ, এলাকার মুরব্বী শফিক মিয়া, এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বী আবুল হাসনাত, নাজিম উদ্দিন, খলিলুর রহমান, দৌলা মিয়া, ইকবাল হোসেন মিতন, হাজী ফিরোজ মিয়া কল্যাণ ট্রাস্টের মোতাওয়াল্লি হাজী আব্দুল মতিন, সহ সভাপতি আব্দুল বাছিত, আব্দুল হালিম, আব্দুল আহাদ, রফিকুল ইসলাম মামুন, সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম সুমন। এছাড়াও এলাকার মুসল্লি, মুরব্বি, যুবসমাজ সহ সর্বসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় মসজিদ নির্মাণ প্রসঙ্গে পরিবার জানায়, আমাদের পিতা হাজী ফিরোজ মিয়া ১৯৯৩ সালে ইন্তেকাল করেন। পিতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং সদকায়ে জারিয়ার নিয়তে আমরা প্রবাসী ভাই-বোনেরা সম্মিলিতভাবে পারিবারিক মালিকানাধীন প্রায় ২৫ শতক জমির ওপর এই মসজিদটি নির্মাণ করি। তারা আরো জনাান, মহান রাব্বুল আল আমিনের অশেষ রহমতেই আমরা এই মহতী কাজ সম্পন্ন করতে পেরেছি। অনেক পরিচিত-অপরিচিত মানুষ এই মসজিদ নির্মাণে সহায়তা করেছেন। আপনারা আমাদের পিতা-মাতার জন্য দোয়া করবেন, আল্লাহ যেন তাঁদের জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এই এলাকায় কোন মসজিদ না থাকায় দূরদূরান্তে গিয়ে আমাদের নামাজ আদায় করতে হতো। এই মসজিদটি নির্মাণ হওয়ায় এলাকার মুসল্লিরা কষ্ট করে আর দূরে যেতে হবে। তারা আরো বলেন, এই ধরনের দ্বীনপ্রিয় ও দায়িত্বশীল সন্তান পাওয়া সত্যিই সৌভাগ্যের। পিতার রেখে যাওয়া জমিতে মসজিদ নির্মাণ করে তারা সমাজের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
উল্লেখ্য, গত দুই বছর পূর্বে এই মসজিদটির ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন ফিলিস্তিন আল আকসা মজিদের ইমাম ও খতিব শায়খ আলী ওমর ইয়াকুব আল আব্বাসী। বিজ্ঞপ্তি
Leave a Reply