1. admin@sylheterkotha.com : admin :
  2. editor@sylheterkotha.com : editor :
August 10, 2026, 11:02 am
Title :
ফের ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে পিকআপ ও যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে -নিহত-১ সিলেটে চারদফা দাবিতে চা শ্রমিকদের বিক্ষোভ, ১৫ দিনের আল্টিমেটাম সিলেটে পাসের হার ৫৮.৩৩, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৮৩৬ জন সিলেটে ইউনিক ও বেঙ্গল দুই বাস চালকের বিরুদ্ধে মামলা সিলেটে আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও ‘সমতল ভূমি কমিশন’ গঠনের দাবী সেতুর রেলিং ভেঙে ঝুলে আছে ট্রাকসেতুর রেলিং ভেঙে ঝুলে আছে ট্রাক শাহজালাল জামেয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ কুলাউড়া সীমান্তে ভারতের অভ্যন্তরে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত অধিকাংশই নারী ও শিশু-গাজায় একটি ভবনের ধ্বংসস্তূপে ১৯ মরদেহ ইউনিক ও বেঙ্গল পরিবহনের সেই দুই বাসের রেজিস্ট্রেশন বাতিল, মালিক-চালককে হাজিরের নির্দেশ

কুশিয়ারার তীব্র ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীনের পথে মাজার ও মসজিদ

  • Update Time : Monday, April 6, 2026
  • 108 Time View

Manual6 Ad Code

সিলেটের কথা ::: সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ১১ শরিফগঞ্জ ইউনিয়নে নদীতীরবর্তী অঞ্চলের মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে নদী ভাঙনের ফলে অনেকে হারিয়েছেন শেষ সম্ভবল বসতভিটে। নদীর পেটে চলে গেছে অসংখ্য মসজিদ, কবরস্থান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, ফসলি জমি।

এবার দীর্ঘদিন ধরে ধীরে ধীরে ভাঙনের কবলে উপজেলার শরীফগঞ্জ ইউনিয়নের পনাইরচক গ্রামের শাহ সৈয়দ শদাই (রঃ) মাজার ও মাজার মসজিদ। শাহ সৈয়দ শদাই (রঃ) মাজার ও মাজার মসজিদের ভাঙন ঠেকাতে সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

Manual4 Ad Code

জানা যায়, গোলাপগঞ্জ উপজেলার শরীফগঞ্জ ইউনিয়নের পনাইরচক গ্রামে কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী শাহ সৈয়দ শদাই (রঃ) এর মাজার রয়েছে। মাজারের পাশে রয়েছে মসজিদ। প্রতি বছর মাজারে ভক্তদের আনাগোনা থাকে। নদীতীরবর্তী গ্রামের মানুষের অন্যতম প্রধান সমস্যা নদী ভাঙন৷ প্রতি বছর নদী ভাঙনের কবলে পড়ে নিঃশ্ব হয়ে পড়েন স্থানীয়রা৷ মাজারের পাশে মসজিদে যাওয়া আসার একমাত্র রাস্তাটিও নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়রা নিজ উদ্যোগে মাজার ও মসজিদের ভাঙন রোধ করলেও এবার গত ৩/৪ দিন ধরে ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে।
আরও দেখুন

Manual4 Ad Code

আরও জানা যায়, নতুন করে ভাঙন দেখা দেওয়ায় হযরত শাহ সৈয়দ শদাই (রঃ) এর মাজারের নিচ থেকে মাটি সরে গেছে৷ মাজারসহ মসজিদের আশপাশে বড় আকারে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এমন অবস্থায় দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারি ভাবে যদি ভাঙন রোধ করা না যায় তাহলে অল্প সময়ের মধ্যে মাজারসহ মসজিদের একাংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।

এদিকে গত বছরের ২০ জানুয়ারি সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড, গোলাপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর ভাঙন রোধে এলাকাবাসীর পক্ষে সম্মারকলিপি দেওয়া হয়। সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা একাধিকবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভাঙন রোধে কার্যকরী কোন প্রদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সামছুল ইসলাম গেদাই বলেন, মাজার ও মসজিদ রক্ষায় প্রায় ২ মাস আগে পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে একটি বরাদ্দ হয়েছে। কন্ট্রাক্টর কয়েকবার এসে দেখে গেছেন কিন্তু কাজ হচ্ছে না। গতদিনও দুইজন এসেছেন, বলছেন কাজ শুরু হবে।

Manual2 Ad Code

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.রফিকুল ইসলাম বলেন, কয়েক বছর ধরে বিষয়টি নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। উনারা হয়তো বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে প্রকল্পটি নিতে পারেননি। সম্প্রতি তারা প্রকল্পটি নিয়েছে। এখানে জরুরি ভাবে ৫০ মিটার কাজের জন্য ৩০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যে ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, তিনি কাজ করবেন না। নতুনভাবে ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যেই কাজ শুরু করবে।

Manual5 Ad Code

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 Sylheter Kotha
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!