1. admin@sylheterkotha.com : admin :
  2. editor@sylheterkotha.com : editor :
September 14, 2026, 5:01 am
Title :
রাষ্ট্রপতিকে সিলেটের ৭টি পয়েন্টে স্বাগত জানাবে মহানগর বিএনপি রাষ্ট্রপতির আগমন ঘিরে নতুন সাজে সেজে উঠছে সিলেট নগরী তীব্র লোডশেডিংয়ের প্রভাব চা শিল্পে, উৎপাদনে ভাটা রক্তের সংকটে প্রসূতির পাশে ইউএনও, নিজেই দিলেন রক্ত গোয়াইনঘাটে মানবিকতার দৃষ্টান্ত গভীর রাতে জাফলংয়ে অভিযান, ১০ নৌকা ধ্বংস ও বালু জব্দ টাঙ্গুয়ার হাওরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পর্যটকের মৃত্যু ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সিলেটে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে গোয়াইনঘাটে মানববন্ধন শরীয়াহ বিরোধী রায় বাতিলের দাবিতে সিলেটে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ মিছিল প্রাথমিক শিক্ষায় বেসরকারি স্কুলগুলোও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে–এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী

তীব্র লোডশেডিংয়ের প্রভাব চা শিল্পে, উৎপাদনে ভাটা

  • Update Time : Sunday, September 13, 2026
  • 5 Time View

Manual6 Ad Code

সিলেটের কথা ::: মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলার ২৩টি চা বাগানে ভরা মৌসুমেও কাজ প্রকট আকার ধারণ করেছে বিদ্যুৎ সংকট। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে চা কারখানায় কাঁচা পাতা প্রক্রিয়াজাত ও শুকানোর কাজ ব্যাহত হচ্ছে। পর্যাপ্ত কচি পাতা পাওয়া গেলেও নির্ধারিত সময়ে তা প্রক্রিয়াজাত করা নিয়ে বড় ধরনের শঙ্কার মধ্যে পড়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

Manual2 Ad Code

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মাধবপুর উপজেলার পাঁচটি এবং চুনারুঘাট উপজেলার ১৮টি চা বাগানে এই বিদ্যুৎ সংকটের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বাগান সংশ্লিষ্টদের ভাষ্যমতে, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিভিন্ন সময়ে প্রায় ছয় থেকে আট ঘণ্টা বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করে। ফলে চা কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

চা উৎপাদনের ক্ষেত্রে বাগান থেকে সংগ্রহ করা কচি পাতা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কারখানায় এনে বিভিন্ন ধাপে প্রক্রিয়াজাত করতে হয়। প্রথমে পাতা শুকানোসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। সময়মতো এসব কাজ শেষ করতে না পারলে কাঁচা পাতা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক সময় কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রাখতে হয়।

বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় কোনো কোনো বাগানে ডিজেলচালিত জেনারেটর ব্যবহার করা হলেও জ্বালানির বাড়তি খরচের কারণে সব বাগানের পক্ষে দীর্ঘ সময় জেনারেটর চালিয়ে কারখানা সচল রাখা সম্ভব হচ্ছে না। এতে একদিকে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে বাড়ছে উৎপাদন ব্যয়।

Manual2 Ad Code

সুরমা চা বাগানের কারখানা ইনচার্জ সুজিত সাহা বলেন, বাগান থেকে কচি পাতা সংগ্রহের পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কারখানায় এনে প্রক্রিয়াজাত করে উন্নতমানের চা তৈরি করতে হয়। এই কাজের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রয়োজন। কিন্তু দিনরাত লোডশেডিং লেগে থাকে। ফলে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে চা তৈরির কাজ চালাতে হচ্ছে।

জগদীশপুর চা বাগানের ব্যবস্থাপক মনির হোসেন বলেন, চা উৎপাদন একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে না পারলে চায়ের মান থাকে না। বিদ্যুৎ না থাকায় আমাদের মাঝপথে কাজ বন্ধ করতে হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বিকল্প হিসেবে জেনারেটর থাকলেও ডিজেলের উচ্চমূল্যের কারণে তা নিয়মিত ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে না।

Manual4 Ad Code

বৈকুণ্ঠপুর চা বাগানের ম্যানেজার শামসুল হক ভূঁইয়া বলেন, চা শিল্প সম্পূর্ণভাবে বিদ্যুৎনির্ভর। বিদ্যুৎ না থাকলে পুরো উৎপাদন ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ে। এতে শুধু মালিক নয়, শ্রমিকরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

Manual3 Ad Code

তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজার দেওয়ান বাহাউদ্দিন লিটন বলেন, উৎপাদন খরচ দিন দিন বাড়ছে, কিন্তু বাজারে চায়ের দাম সেই অনুপাতে বাড়েনি। তার ওপর দীর্ঘ সময় ধরে লোডশেডিং পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 Sylheter Kotha
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!